Sunday, July 28, 2019

গুজব প্রতিরোধে মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিম: সম্পৃক্ততা পেলেই গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক: একের পর এক গুজব ছড়িয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে একটি কুচক্রী মহল। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে, তেমনি গণপিটুনির শিকার হচ্ছেন অনেকেই।
পদ্মা সেতুতে শিশুর মাথা লাগবে বলে গুজব ছড়ানোর পর ছেলেধরা সন্দেহে গত কয়েকদিনে গণপিটুনিতে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। ছেলেধরার সঙ্গে বিদ্যুৎ না থাকার গুজবও ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তা থেকে সতর্ক থাকতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে প্রশাসন। গুজব প্রতিরোধে নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ।
যেকোনো মূল্যে গুজব প্রতিহত করতে মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, গুজবকারী এবং গুজব ছড়াতে সহায়তাকারীদের প্রতিহত করতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টিম। যারা এসব কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, একটি বিশেষ মহল দেশ ও দেশের বাইরে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নানা ধরণের গুজব ছড়াচ্ছে। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাহিনীর একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে এবং তারা সারা দেশে কাজ করছে। যারা গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে বিশেষ মহলের হয়ে কাজ করছে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র মারফত জানা গেছে, এ পর্যন্ত গুজব ছড়ানোর দায়ে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে গুজবে কান না দিয়ে, গুজবকারীদের সামাজিকভাবে বয়কট করে, তাদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পদ্মা সেতু নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার, আটক ১

নিউজ ডেস্ক: জামালপুরের বকশীগঞ্জে শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব ছড়ানো ও সেতুমন্ত্রীকে কটুক্তি করায় এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব। আটক ফারকান হোসেন উপজেলার ধারারচরের সোনা মিয়ার ছেলে।
জামালপুর র‍্যাবের সিপিসি-১ এর উপ-পরিচালক এসপি মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া জানান, Md Sonju khan ফেসবুক আইডি থেকে ‘সেতুমন্ত্রীর মাথা কেটে প্রথমে পদ্মাসেতুতে দেয়া হোক। তারপর অন্য মায়ের সন্তানদের মাথা’ স্ট্যাটাস দেয়ায় ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।
এসপি তোফায়েল আরো জানান, কয়েকদিন ধরে পদ্মা সেতু নিয়ে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে, পদ্মাসেতু নির্মাণে মানুষের মাথা লাগবে। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব গুজবে কান না দিতে সবাইকে আহবান জানিয়েছেন এসপি তোফায়েল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে মসজিদে অগ্নিকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা

জানা যায়, গত ২০ জুলাই ২০১৯ তারিখ রাত্রি আনুমানিক দেড় ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব মেড্ডা শান্তিবাগ জামে মসজিদের বর্ধিতাংশের একটি টিনশেড হতে একটি অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। যেখানে মসজিদের ইমাম/মুয়াজ্জিন অবস্থান করে থাকেন। উক্ত অগ্নিকাণ্ডে মসজিদের একটি কার্পেট, একটি কাঠের তৈরি খাটিয়া পুড়ে যায়, মসজিদের ফ্যান ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং ছাদের এক পাশের পলেস্তরা খসে পড়ে। জানা যায়, ওই সময়ে মসজিদের ইমাম মাওলানা সামায়েল আহম্মেদ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। ঘটনায় আর কোন জানমালের ক্ষতি হয়নি।
বিষয়টিকে নিয়ে মসজিদের সভাপতি কাজি নুরুল হক বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কর্তৃক আগুন দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত করে দেখছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিটের কারণে উক্ত আগুনের সুত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
জানা যায়, সামান্য এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সরকার বিরোধী দল ফেইক ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে এটাকে ধর্মীয় কোন্দলে রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে। সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

নৌসম্পদকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প

বর্তমানে জাহাজ নির্মাণ বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প। নদী পথেই দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের সিংহভাগ প্রবাহিত হয়। নয় বছর আগেও দেশে রেজিস্ট্রিকৃত অভ্যন্তরীণ নৌযানের সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। কিন্তু দিন বদলের পালে হাওয়া লেগেছে দেশের  জাহাজ শিল্পেও। বর্তমানে রেজিস্ট্রিকৃত নৌ পরিবহনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার। যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ বেশি। প্রায় ১১.৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩টি নৌ রুটে মোট ৩২ কোটি ৭৬ লক্ষ ঘনমিটার ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় বিগত নয় বছরে এক হাজার ১০০ কিলোমিটার নৌপথের নাব্যতা উন্নয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার নদীসমূহের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য ১৫ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ করছে। 
জাহাজ নির্মাণ শিল্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো আরো একটি প্রধান রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অংশে গুণগত মানসম্মত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশের শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি মোট ২৭টি জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে।
বাংলাদেশের আগে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ জাহাজ নির্মাণশিল্প সুরক্ষা দিতে নানা পদক্ষেপ নেয়। যেমন ভারত সরকার ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত জাহাজের রফতানি মূল্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা অনুমোদন করেছে। চীনের উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে ঋণের পাশাপাশি নিজেদের কাঁচামাল ব্যবহারে ভর্তুকি পাচ্ছে। মন্দা থেকে এই ভারি শিল্প খাতকে সুরক্ষা দিতে এসব উদ্যোগ নেয়া হয় দেশগুলোতে। বর্তমানে এই শিল্পে প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ এবং ১ লাখ আধাদক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। দেশে আনুমানিক ১০ হাজার টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে। নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত দেশের নারায়ণগঞ্জ, খুলনা শিপইয়ার্ডে এরই মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে যুদ্ধ জাহাজ। চট্টগ্রাম ড্রাইডকেও যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার। 
রফতানির নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প। সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা এবং পুঁজি বিনিয়োগকারীরা এ খাতে মনোযোগী হলে আগামীতে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক খাতে নতুন এক বিপ্লবের সূচনা ঘটবে। প্রতিবছর আয় হবে কয়েক হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। এ খাতে কর্মসংস্থান হবে লক্ষাধিক দক্ষ শ্রমিকের। শুধু তাই নয়, জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশ পরিপূর্ণ সুযোগ পেলে এ খাতটি দেশের বিদ্যমান সব ক’টি খাতকে ছাড়িয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রথম স্থানে চলে যাবে। সরকারি-বেসরকারি এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে পুঁজি বিনিয়োগকারী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এ খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বাংলাদেশের গর্বিত অতীত আছে। বলা যায়, জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশ আবার সেই গৌরবোজ্জ্বল অতীত ফিরিয়ে আনার পথে। এদেশে নির্মিত জাহাজ বেশ উন্নত বলে ইউরোপে প্রশংসিত হয়েছে।

পাবনায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে সভা

ভোক্তাদের সেবার মান নিশ্চিতে দেশের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এবং এ কাজে জনসাধারণও যাতে এগিয়ে আসে সে কারণে পাবনার আটঘরিয়ায় নকল, ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি এবং রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রয় বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা ওষুধ প্রশাসন ও আটঘরিয়া উপজেলা ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আটঘরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম রতন। অন্যান্যের মধ্যে জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক কেএম মুহসীনিন মাহবুব, উপজেলা ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. আবু মুসাসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন। সভা শেষে উপজেলার বিভিন্ন ফার্মেসিতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ও নকল ওষুধ সংরক্ষণের জন্য পাত্র বিতরণ করা হয়।

২৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে কৃষকরা

টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দারিদ্র্য বিমোচন ও ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশে কৃষিখাতে আরো বিস্তার ও উন্নয়নের লক্ষ্যেই চলতি অর্থবছর (২০১৯-২০) কৃষকদের জন্য ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা ঋণ বরাদ্দ রেখেছে ব্যাংকগুলো, যা গত অর্থবছরের (২০১৮-১৯) চেয়ে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন অর্থবছরের জন্য কৃষি ও পল্লী ঋণ এ নীতিমালা ঘোষণা করা হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নীতিমালায় বলা হয়, টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দারিদ্র্য বিমোচন ও ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে এবারও কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো কৃষিঋণ বিতরণ করবে ১০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা। বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিতরণ করবে ১৩ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করেছে।  যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে মোট ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৪ জন কৃষক কৃষি ও পল্লী ঋণ পেয়েছেন। যার মধ্যে নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশনের (এমএফআই) মাধ্যমে ১৬ লাখ ১ হাজার ৮৫৬ জন নারী প্রায় ৭ হাজার ১৯০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ঋণ পেয়েছেন।
ওই অর্থবছরে ২৯ লাখ ৮৯ হাজার ২৩৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষী বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ১৬ হাজার ৩২২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ঋণ পেয়েছেন। চর ও হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৯ হাজার ৯৫০ জন কৃষক প্রায় ৩১ কোটি ৬১ লাখ টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ পেয়েছেন। কৃষি ও পল্লী ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে। কৃষক ছাড়াও পোল্ট্রি শিল্প, দুগ্ধ উৎপাদন, কৃত্রিম প্রজনন ও কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে সহজ শর্তে এ ঋণ পাবেন।

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজব প্রতিরোধে ৬১ লাখ আনসার

নিউজ ডেস্ক: পদ্মা সেতু নির্মাণে মাথা লাগবে, একদল মানুষ এমন গুজব ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। ফলে জনসাধারণের মাঝে সৃষ্টি হচ্ছে আতঙ্ক। এটি প্রতিরোধ ও জনগণকে সচেতন করতে ৬১ লাখ আনসার ও ভিডিপি সদস্য মাঠপর্যায়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ। এ লক্ষ্যে জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের ১২ হাজার ৮৮ জন কমান্ডারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপির সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে যে ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা প্রতিরোধ করতে প্রতিটি গ্রামে আনসার সদস্যরা কাজ করছে। এটি একটি কুসংস্কার। এই গুজবে কান না দেয়ার জন্য গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আনসার লিডার যারা আছেন তাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে বার্তা পাঠানো হয়েছে। এই বার্তা পেয়ে পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবে কান না দিতে জনসাধারণকে সচেতন করতে মাঠে নেমেছে আনসার সদস্যরা।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের সর্ববৃহৎ শৃঙ্খলা বাহিনী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে এ বাহিনীর বিস্তৃতি। স্বাধীনতা যুদ্ধেও এ বাহিনীর রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা। বন্যা, দুর্যোগসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে আনসার বাহিনী সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
আনসার ভিডিপিকে সামনে এগিয়ে নিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, সারাদেশে গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সাড়ে ১২ হাজার আনসার কমান্ডারকে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আগে থ্রি নট থ্রি রাইফেল ব্যবহার করা হতো, এখন নতুন ৩০ হাজার অস্ত্র এই বাহিনীর জন্য আনা হয়েছে। আরো ২০ হাজার অস্ত্র আনা হবে।