Friday, July 19, 2019

শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশে এসডিজির অগ্রগতি

বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো (এসডিজি) ও কার্যকর উন্নয়ন অংশীদারিত্বে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে বলেছেন  পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান । চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃশ্যপট অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ দারুণ সফল। জাতিসংঘ সদর দফতরে শনিবার ‘কার্যকর উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব (জিপিইডিসি)’-এর সিনিয়র-লেভেল মিটিংয়ে (এসএলএম) প্রদত্ত বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত জিপিইডিসির এই মিটিংয়ে ফোরামটির কো-চেয়ার হিসেবে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরীও ছিলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এসডিজি) ও কার্যকর উন্নয়ন অংশীদারিত্বে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃশ্যপট অনুযায়ী এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ দারুণ সফলতার সঙ্গে এগোচ্ছে। আমরা দারিদ্র্যের হার ২১.৮ শতাংশে  নামিয়ে আনতে পেরেছি, যা ২০০৫ সালে ছিল ৪০ শতাংশ। টেকসই প্রবৃদ্ধি ও এর উচ্চধারা অব্যাহত রাখতে আমরা ব্যাপক কর্মসংস্থান, অসমতা দূর, লিঙ্গসমতা নিশ্চিত ও সমগ্র সমাজ দৃষ্টিভঙ্গির মতো কৌশলগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। পাশাপাশি উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব সৃষ্টি করেছি।’

রাজধানীতে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার ৪৮

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা অনেক আগে থেকেই দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং এটিকেই কেন্দ্র করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৪৬০ পিস ইয়াবা, ১১৯১ গ্রাম হেরোইন, ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ৮০০ মিলি. দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৩জুলাই) সকাল ৬টা থেকে রোববার (১৪ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের  বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৪টি মামলা হয়েছে।
১০ কেজি গাঁজা ও ১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার : যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগ। গ্রেফতারকৃতরা হল নাসিরউদ্দিন খোকন, মোহাম্মদ হোসেন ও ইমান হোসেন।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা, ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।

এইচএসসিতে বেড়েছে পাশের হার ও জিপিএ-৫

উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে। সার্বিকভাবে পাস করেছে ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী।
গত বছর (২০১৮ সালে) এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এবারের ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১টা থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd), নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানতে পারবেন। 
পরীক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, এ বছর ৯ হাজার ৮১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ ছাত্র ও ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ ছাত্রী। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।
এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।
যেভাবে ফল পাওয়া যাবে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ Result কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়া, www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইটের Result কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে। প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা হতে ফলের হার্ডকপি সরবরাহ করা হবে না।
মোবাইলে ফল জানা যাবে যেভাবে:
আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসির ফল জানাতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার ফল জানতে Alim লিখে স্পেস দিয়ে Mad স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে।
কারিগরি বোর্ড এইচএসসির ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

তথ্য ফাঁস: বাংলাদেশ বিরোধী তথ্য সংগ্রহে গয়েশ্বর-সেলিমাকে দিয়ে তারেকের নতুন কমিটি!

নিউজ ডেস্ক: দেশের চলমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারেক রহমানকে বিশেষ রিপোর্ট দেয়ার নামে ২ সদস্য বিশিষ্ট পকেট কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। জানা গেছে, দেশব্যাপী বিভিন্ন ধরণের নির্যাতন ও অনিয়ম-বিষয়ক মনগড়া তথ্য সংগ্রহ করে এই কমিটি বিশেষ একটি মিশন কমপ্লিট করতে বিস্তারিত তথ্য লন্ডনে পাঠাবে।
সূত্র বলছে, সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশবিরোধী মিথ্যাচার ছড়ানো হবে। মূলত বিএনপি-জামায়াতের অর্থায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক চক্রগুলোকে ব্যবহার করে তারেক ইউরোপীয় ইউনিয়ন, বিভিন্ন দাতা সংস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যের উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্রগুলোর কাছে বাংলাদেশকে ব্যর্থরাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে এমন মিশন হাতে নিয়েছেন তারেক রহমান।
জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বেগম সেলিমা রহমানকে নির্যাতনের ঘটনা পর্যবেক্ষণ এবং নির্যাতিতদের দলের পক্ষ থেকে সহায়তার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এদিকে গোপন একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দুই সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সফর করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। সাধারণ জনগণের ভোগান্তির নামে মূলত বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের তথ্য তুলে আনা হবে এই কমিটির মূল উদ্দেশ্য। এরপর সংগৃহীত তথ্য দেশবিরোধী বলে চালাতে পরিশোধন ও পরিমার্জন করে লন্ডনে তারেক রহমানের কাছে পাঠানো হবে। সেই তথ্য তারেক আরেক দফায় বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক লবিস্টদের, বিশেষ করে ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লাইলের হাতে তুলে দেবেন। পরবর্তীতে বিএনপি-জামায়াতের পেইড লবিস্টরা ইইউ, বিভিন্ন দাতা-সংস্থা, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশকে ব্যর্থরাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরতে প্রাণপণ চেষ্টা করবেন। প্রয়োজনে বাংলাদেশের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা এমনকি সহায়তা বন্ধ করতেও বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে নিজেদের মতো করে বোঝাবে বিএনপির লবিস্টরা।
জানা গেছে, বেগম জিয়ার মুক্তি ও নতুন একটি নির্বাচন আদায়ে তারেকের নির্দেশে মূলত গয়েশ্বর ও সেলিমা দু-এক দিনের মধ্যে কাজে নেমে পড়বেন। তবে তারেক রহমানের এই গোপন মিশনের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে বিএনপি। বিশেষ এই কমিটির অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডের তথ্য কে ফাঁস করলো, সেটি খোঁজার চেষ্টা করছে দলটি।

প্রতি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

খেলাধুলার প্রতি মানুষের যেন আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পায় এবং আমাদের দেশ যেন এ খাতে আরো উন্নতি করতে পারে এ লক্ষ্যেই প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান দেশের বাইরে থাকায় তার পক্ষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. নূরুল আমিন একনেক সভা-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। একনেক সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘নির্বাচিত ছয়টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ’ প্রকল্প একনেক সভায় উত্থাপন করা হয়। তবে সংশোধনী আনতে বলে তা অনুমোদন দেয়া হয়নি একনেক সভায়।
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব নূরুল আমিন বলেন, ‘প্রত্যেক উপজেলায় এখন থেকে একটা মিনি স্টেডিয়াম হবে।  সেটা কোনো কলেজ, মাদরাসা, স্কুলের মাঠে হতে পারবে না। একটা খোলা জায়গায় হতে হবে। প্রয়োজনে উপজেলা থেকে একটু দূরে হলেও চলবে।’ ‘এর একদিকে গ্যালারি থাকবে। বাকি তিন দিক উন্মুক্ত থাকবে। পাবলিক যেন দেখতে পারে, কী হচ্ছে এ মাঠের ভেতরে’- যোগ করেন নূরুল আমিন।
উত্থাপিত প্রকল্পটি বাতিলের বিষয়টি তুলে ধরে সচিব বলেন, ‘সেজন্য ছয়টি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যতগুলো আসবে, সেগুলো মিনি স্টেডিয়াম হিসেবে প্রস্তাব আনতে হবে।’
একনেক সভায় প্রায় ৫ হাজার ১৪২ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ৮টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ৪ হাজার ১২৯ কোটি ৮১ লাখ এবং বিদেশি ঋণ প্রায় ১ হাজার ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

নারায়ণগঞ্জে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা, ৬ জনকে কারাদণ্ড

ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বিএসটিআইর অনুমোদন না থাকায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসান ফুড প্রোডাক্টস, এস আলম খান কনজুমার অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাক্টস লিমিটেড ও এসএস ফুড প্রোডাক্টস নামে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত র‍্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মুরসালিন, ফারুক হোসেন, রিপন, রাকিবুল, সাজিদুল ইসলাম ও ইমন।

র‍্যাব -১১ এর মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলার বানিয়াদী ও পোনাব এলাকায় হাসান ফুড প্রোডাক্টস, এস আলম খান কনজুমার অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাক্টস লিমিটেড ও এসএস ফুড প্রোডাক্টস নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন নকল ট্রপিকো লিচি ড্রিংকস, ম্যাজিক স্ট্রবেরি জেলি, গ্রিন বিস্কুট, টনি অরেঞ্জ ড্রিংকস, মায়া লিচি ড্রিংকস, প্রাণ লিচি ফ্লেভার, ম্যাজিক লিচি, ডক্টরস ফ্রুটু, দারুচিনি সস, দারুচিনি সরিষার তেল উৎপাদন করে বাজারজাত করছে।

সোমবার দিনব্যাপী র‍্যাব -১১ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পোনাব এলাকার হাসান ফুড প্রোডাক্টসের মালিক ইমারত হোসেনকে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় এস আলম খান কনজুমার অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাক্টস লিমিটেডের ৬ শ্রমিককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এস আলম খান কনজুমার অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাক্টস লিমিটেড ও এসএস ফুড প্রোডাক্টস নামে দুটি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দেয়া হয়।

Thursday, July 11, 2019

ফেঁসে যাচ্ছেন এসকে সিনহা !

নিউজ ডেস্ক : অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকের ঋণ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ এনে করা সিনহার বিরুদ্ধে মামলায় আইনজীবীরা বলছে, মামলায় সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত থাকায় তার ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
 দুদক সূত্র বলছে, ১০ জুলাই সকালে মামলাটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আগে এস কে সিনহার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। ফারমার্স ব্যাংক থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) অ্যাকাউন্টে চার কোটি টাকা জমা হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করতে ব্যাংকটির সাবেক এমডি একেএম শামীমসহ ছয় কর্মকর্তাকে তলব করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।