Wednesday, December 12, 2018

Constituencies can be lost: Jamayat got the nominations and BNP lost the trust of their activists

News Desk: BNP is facing problem because they have given their election symbol (Dhaner Shish- Paddy Husk) to Jamayat leaders. Top leaders of BNP are concerned because first of all, Jamayat’s unpopularity can put effect on the result of the election and it has also created a internal problem among the activists. They have already lost their trust because Jamayat is known as the party of war criminals. Specially, recent activities of BNP activists like enclosing their Gulshan office shows that they are not very pleased with the party activities. It has been informed that. they have destroyed their party offices in several places.
Source informed that, Jamayat got nominations in 22 constituencies. Top leaders of BNP are concerned because, Jamayat’s securities can be seized in these constituencies. Meanwhile, though Jamayat won the negotiation with Oikko Front and BNP regarding the distribution of constituencies, still BNP is concerned whether they will win or not. Though, Jamayat knows that they will lose the election for sure still they are negotiating to show that they are one of the powerful parties. BNP is also agreeing with them. For this reason, root level BNP activists have started despising Jamayat. Because, popular BNP leaders are being cut from the list and unpopular Jamayat leaders are getting nominations.
Prominent singer Manir Khan was one of the aspirants from Jhinaidah-3 (Maheshpur-Kotchadpur) constituency. He said, “This constituency was given to Jamayat-E-Islami, and that is why I have not gotten the nomination.” Manir Khan decided to resign from the party after this incident.
Manir Khan also added, “Nomination is not that important for me. It is not like, if I get the nomination then I would be involved in the politics and if I do not get it then I will not be involved in this field. But, when a party like Jamayat who are known as war criminals then I felt humiliated. Politics of BNP is getting tougher day by day. BNP is becoming a party who completely depends of Jamayat. This is why, I resigned from the party by my own choice.”
Another aspirant who did not get the nomination named Dr. Mamun Rahman. He wanted to take part in the election from Khulna-5 (Dumuria and Fultala) constituency. He said, “I felt insulted when I was not nominated but Al-Badar leader Professor Goalm Parwar of Jamayat has gotten the nomination. If he participates in the election then I am quite sure that he will lose his security. This decision of BNP broke the heart of thousands of BNP supporters. So, I have decided that if I am do not get the nomination then I will not be involved in the politics for BNP. I have also sent my message to central BNP.”
It is to be informed that, BNP activists protested against this decision for three days straight in front of Gulshan BNP office. Though, BNP was thinking about giving 25 constituencies to Jamayat but finally they have agreed with 22 and BNP has let Jamayat-E-Islami to use ‘Dhaner Shish’ as their election symbol.

Shamsuzzaman Dudu is disappeared under crore of taka; Sharif has been survived for the money

News Desk: Shamsuzzaman Dudu is the Vice-Chairman of BNP and General Secretary of Central Krishok Dol. He collected nomination form for 11th National Parliamentary Election. He wanted to take part in the election from Chuadanga-1 constituency but he did not get the nomination. Sharifuzzaman Sharif of District BNP has got the nomination from this constituency. Source informed that, he spend almost one and half crore taka to get the nomination. Though, dedicated leader Shamsuzzaman Dudu defeated by the business of Tarique still Sharif has been survived. This made local BNP activists very angry.
Many local leaders who supports Dudu has confirmed the information that, Dudu was the Vice-Chairman of BNP still he did not get the nomination just because of the business idea of Tarique. They did not want to reveal their names for safety purpose. But, supporters of Dudu commented that, they never thought that a dedicated leader like Dudu will not be nominated.
It has been informed, Dudu was certain that he will get the nomination for Chuadanga-1 constituency. He was also getting prepared for that. He sat with his supporters in numbers of meetings. But, he got confused when Sharifuzzaman Sharif started frequent travels to London. Finally, Sharif got the nomination instead of Dudu.
A close person of Dudu used the reference of UK BNP President Abdul Malik and he said, “We have been informed that, Sharifuzzaman Sharif has bought his nomination from Tarique Rahman. He is not popular in that constituency. Tarique sir (Tarique Rahman) has insulted a dedicated leader like Dudu just because of money. We will take our revenge. Nomination is not the biggest part, getting the support of mass people is the most important thing. We work for BNP that does not mean that we lost our ability to speak. We will clear out our stand on the day of the election on 30th December.
Meanwhile, Shamsuzzaman Dudu was not the only victim of this business. The whole country have been effected by this. Dedicated leaders did not get the nomination. Many senior leaders, former ministers and their family member was cut off from the list. Their supporters destroyed party offices out of anger. Civil society is thinking that it is a very bad sign for BNP.

খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে ক্ষমতা আরোহণের পাঁয়তারায় সফল হচ্ছেন ফখরুল-মওদুদরা

নিউজ ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারান্তরীণ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি করে ১০ বছর করেছেন উচ্চ আদালত। অন্যদিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়সহ একাধিক মামলায় সাজার দণ্ড নিয়ে লন্ডনে পলাতক জীবন যাপন করছেন তারেক রহমান। জনসম্মুখে বিএনপি সর্বদা এ বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও ভেতরে ভেতরে একাধিক সিনিয়র নেতা অত্যন্ত খুশিতে রয়েছেন।

মূলত, খালেদা-তারেককে সরিয়ে দলের কাণ্ডারি হবার শখ বিএনপির দুই সিনিয়র নেতার মাঝে লক্ষ্য করা গিয়েছে ব্যাপকহারে। তারা হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ও মওদুদ আহমেদ।
বলা হয়ে থাকে, সুযোগ থাকার পরেও রাজনৈতিক বুদ্ধি খাটিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের করার জন্য কোন তাগিদ দেয়নি সিনিয়র আইনজীবী মওদুদ আহমেদ। এ জন্য তাকে একাধিকবার খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কাছ থেকে বকাও খেতে হয়েছিলো, কিন্তু তিনি তার রাজনীতিতে অটল ছিলেন।
এদিকে, মওদুদ আহমেদ যত গেম খেলেছেন, পেছন থেকে তার সমস্ত কলকাঠি নেড়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাদের পরিকল্পনামাফিক বর্তমানে খালেদা-তারেক মাইনাস হয়ে দলের প্রধান হর্তাকর্তার দাবিদার হিসেবে মির্জা ফখরুলের বদনখানি দৃশ্যমান হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন নয়’- এই নীতি থেকে সরে আসার পর থেকে বিএনপিতে একটি রাজনৈতিক পালাবদলের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিলো। এর কিছুদিন পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত এলে ঐক্যে ড. কামালসহ বেশকিছু নেতার তোড়জোড় চোখে আসে। কিন্তু মির্জা ফখরুলের বিচক্ষণতায় ড. কামালদের উপর ভর করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলেও আসন বণ্টনসহ সকল ক্ষেত্রেই ফখরুল-মওদুদের বিএনপিতে খুব একটা পাত্তা পায়নি খালেদা, তারেক ও ড. কামালের মতো নেতারা। দলটি যুগ যুগ থেকে দুই ভাগে বিভক্ত থাকলেও বর্তমানে মির্জা ফখরুলের কারণে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দৃশ্যমান হলো। অপরদিকে খালেদাকে মাইনাসের রাজনীতি অনেকটাই পোক্ত হলো।

জিয়া পরিবার মুক্ত নির্বাচন : ক্ষমতার অদৃশ্য লোভ বিএনপিতে

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোনো দল বিএনপি।  ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে উৎপত্তি এই দলের। জিয়ার মৃত্যুর পর দলের হাল ধরে তার স্ত্রী খালেদা জিয়া। দেশের সব জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে এই জিয়া পরিবারের কাউকে না কাউকে অংশ নিতে দেখা গেছে।  কিন্তু এরকমটা হলো না। দুর্নীতির লোভ সামলাতে না পেরে ভেঙে পড়েছে দেশের রাজনৈতিক এই  পরিবার। এই পরিবারের বড় ছেলে মামলার দায়ে আজ লন্ডনে পলাতক। দেশে আসার কোনো ইঙ্গিতও দিচ্ছেন না তিনি। দুর্নীতি মামলায় তার মা খালেদা জিয়া আজ কারাবন্দী। তিনি ছেলের মতোই দুর্নীতির দায়ে রয়েছে কারাগারে আছেন। অর্থাৎ আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে থাকছে না জিয়া পরিবার।
আসন্ন নির্বাচনে খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। কারাদণ্ড ভোগ করার জন্য  তার তিন আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তাই একাদশ সংসদ নির্বাচনে খালেদার আর নির্বাচনে অংশ নেয়া হচ্ছে না। তার পরিবর্তে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে লন্ডনে অবস্থান করছেন তারেক। কিন্তু সেও নেই দেশে। আটক হওয়ার ভয়ে দেশে আসছে না। এমনকি নির্বাচন উপলক্ষে অবৈধ উপায়ে টাকা সংগ্রহও করছেন তিনি। তারেকের স্ত্রী জোবায়দা দলে অংশ নেয়ার জন্য দেশে আসছেন, এরকম খবর শোনা গেলেও দলীয় অন্তঃকোন্দলের ঘোলাটে পানির ভেতর পড়ে তার আর দেশে আসা হয়নি তার। কাজেই বর্তমানে জিয়া পরিবারের কেউ নেই আসন্ন নির্বাচনে।
অপরদিকে বিএনপির সাথে জোট বেঁধেছে নতুন দল ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন। কিন্তু তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। বিএনপির প্রধান ও জোটের প্রধান কেউই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। আর এই পরিস্থিতিতে সবাই বনের রাজা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর।
বিএনপির নেতাকর্মীদের ভেতর ক্ষমতার একটি অদৃশ্য লোভ ছিল খালেদা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই। নির্বাচনী মৌসুমে এই লোভ আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন বৈঠকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টকে সাধারণ প্রশ্ন করা হচ্ছে তা হলো নির্বাচনে জয়ী হলে কে হচ্ছে দলের প্রধান ?
খালেদা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছে মির্জা ফখরুল। তার পরিবর্তে  দেখা  যায় মাঝে মাঝে রিজভীকেও। কাজেই ক্ষমতার দৌড়ে পিছিয়ে নেই তারা। এ নিয়ে আছে দুই জনের ভেতর ঠান্ডা যুদ্ধ। এই যুদ্ধ একটু উত্তপ্ত হলেই সৃষ্টি হয় অন্তঃকোন্দল। ফখরুলকে প্রধান করার জন্য দলে রয়েছে অনেকের দ্বিমত। বিএনপির একাধিক নেতা বলছেন, মির্জা ফখরুল মহাসচিব, দলের চেয়ারপারসন নন।
অপরদিকে  দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সিনিয়র নেতা ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন ইতোমধ্যেই তার ঘনিষ্ঠদের কাছে নির্বাচনে জিতলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার  কথা বলেছেন। বিএনপির মধ্যে তিনিই সবচেয়ে সিনিয়র নেতা যিনি নির্বাচন করছেন। ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন বেগম জিয়ার ঘনিষ্ঠ হলেও তারেক জিয়ার সাথে তাঁর দূরত্ব রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার  ইচ্ছা গোপন করেননি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদও। খালেদা তাকে পছন্দ না করলেও তারেক জিয়া তাকে পছন্দ করেন। তারেকের সাথে লন্ডনে করছেন বেশ কিছু গোপন বৈঠক। এমনকি তারেককে  খুশি করার জন্য অর্থও দিয়েছেন তিনি।
ক্ষমতার লোভ তাড়া করে বেড়াচ্ছে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীদের। কিন্তু এর ভেতর বেশ কিছু বিবেচ্য বিষয়ও রয়েছে। জয়ী না হলেও যদি দেশের বিরোধী দল হিসেবে চিহ্নিত হয় তাহলেও দরকার হবে একজন বিরোধীদলের প্রধান। এখন এই প্রধান পদ নিয়ে দলের অন্তঃকোন্দল কত দূর গড়ায় সেটাই দেখার বিষয়।

খেলা দেখালেন ডা. জাফর উল্লাহও

বিএনপিপন্থী বিতর্কিত ব্যক্তি ডা. জাফর উল্লাহ। একের পর এক অঘটন আর অযাচিত মন্তব্যের জন্ম দিয়ে রাজনীতির মাঠের ‘অসভ্য চরিত্র’ হিসেবেই পরিচিত তিনি। এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন মনোনয়ন ইস্যুতে।
বিএনপিতে চলছে মনোনয়ন বাণিজ্যের মৌসুম। দেশে টিকাদানের বেশ জনপ্রিয় স্লোগান ‘বাদ যাবে না একটি শিশুও’। এরই ধাঁচে বিএনপিতে স্লোগান উঠেছে ‘বাদ যাবেনা কোন নেতা’। দলের শীর্ষপর্যায় থেকে তৃণমূলের নেতারাও দু’হাত ভরে টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন। নির্দ্বিধায় বলা চলে, এসব টাকার কিছু অংশ ভবিষ্যতে সন্ত্রাস-বোমাবাজিতে ব্যবহৃত হবে।
একাজে সফল হতে এবার বিএনপিকে ব্যবহার করে মনোনয়ন বাণিজ্যে নেমেছেন ডা. জাফর উল্লাহও। ঢাকা ৬ আসনে গণফোরামের সুব্রত চৌধুরীর সামনে তিনি ঝুলিয়েছেন ‘মন্ত্রীত্বের মুলো’।
সাংসদ হবার স্বপ্নে বিভোর সুব্রত অবশ্য তার এই টোপ গিলেছেন ভালোভাবেই। ‘দল ক্ষমতায় এলে তাকে মন্ত্রী করা হবে’ এমন আশ্বাসে ভোটের মাঠ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন তিনি, বিশ্বস্ত সূত্র জানাচ্ছে এমনটিই।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এ আসনটি উচ্চমূল্যে বিক্রি করে দিতে যাচ্ছেন ডা. জাফর উল্লাহ। ক্রেতাও তার পছন্দের ব্যক্তি। আপাতত তার নাম প্রকাশ করা না গেলেও অচিরেই মোটা অঙ্কের অর্থে এ ধুম্রজাল কেটে যাবে।
প্রসঙ্গত, এ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন ইশরাক হোসেন। তিনি বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার পুত্র। তবে শেষমুহূর্তে ইশরাককে সরিয়ে মনোনয়ন দেয়া হয় সুব্রতকে। ক্ষুব্ধ ইশরাক প্রকাশ্যেই গণমাধ্যমে হাইকমান্ডের উপর ক্ষোভ ঝাড়েন। তার সমর্থকেরাও বিক্ষুব্ধ হয়ে ভাঙচুর চালায় গুলশানস্থ কার্যালয়ে।
তবে অর্থের ইতিহাস জাফর উল্লাহ’র জীবনে নতুন নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে দানসূত্রে পেয়েছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমি। সেখানেও তিনি ছলচাতুরীর আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ আছে।
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন। বাংলাদেশের আস্থা ও গর্বের প্রতীক সেনাবাহিনীকে নিয়েও কিছুদিন আগে চরম হঠকারী বক্তব্য দেন। অবস্থা বেগতিক দেখে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমাও চান।
তবে এবার মনোনয়ন বাণিজ্যের অর্থ তিনি হজম করতে পারবেন, নাকি লন্ডন থেকে আসা ফোনে সব টাকা সেখানেই পাঠাতে হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বরিশালে ভরাডুবির আশঙ্কা বিএনপিতে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসছে। ঐক্যফ্রন্ট ও প্রধান শরিক দল বিএনপির মধ্যে চলছে আসন নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের দর কষাকষির। গত ৭ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০৬ টি আসনের চূড়ান্ত মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করলেও মনোনয়ন বাণিজ্যের রেশ ধরে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকাতেও পরিবর্তন আনছে দলটি। গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা কর্মীদের হামলা, কর্মীদের অসন্তোষ, কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিবাদ, অনৈক্যতা সব মিলিয়ে নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেও এ পর্যন্ত জামায়াত বাদে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোকে ১৭টি আসন ছেড়েছে বিএনপি।
এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে জামায়াত ২৫ টি আসন চাইলেও ছয়টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছে জামায়াত। পিরোজপুর-১ আসনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পুত্র শামীম সাঈদীসহ পটুয়াখালী-২, ঝালকাঠি-২, ঝালকাঠি-২, বরিশাল-৪ আসনগুলোতে জামায়াত পাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে দলের একাধিক কর্মীরা।
এদিকে দলের ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে জামায়াতকে প্রাধান্য দেয়ায় বরিশাল বিএনপির মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন দলের নেতারা। কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জামায়াতবিরোধী বিএনপির কর্মীদের অবস্থান চলাকালে জামায়াতকে অধিক প্রাধান্য দেয়ায় বিপাকে পড়েছে দলের নেতৃবৃন্দ ।
বিএনপির একাধিক নেতারা মনে করছেন এই বিভাগে জামায়াতকে অধিক প্রাধান্য দেয়ায় ভোটে ভরাডুবি হতে পারে আবারও ।  শনিবার বিএনপির গুলশান অফিসেও হামলা চালিয়েছে দলের ত্যাগী কর্মীরা । এরই মধ্যে ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক কন্ঠশিল্পী মনির হোসেন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

Monday, December 10, 2018

২২ নয়, ২৫ আসনের কম নির্বাচনে যাবে না জামায়াত(ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক: চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার শেষ সময়ে এসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে জোটসঙ্গী বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। জামায়াতের জন্য বিএনপি ২২টি আসন ছেড়ে দিলেও তা মানতে রাজি হয়নি জামায়াত। জামায়াতের নেতারা বলছেন, ২৫ আসনের একটি আসন কম হলেও জামায়াত নির্বাচনে যাবে না। এমনকি এই ২৫ আসন ছাড়াও আরও ৪টি আসনে দলের নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থিতা করতে দিতে হবে বলেও বদ্ধপরিকর জামায়াত।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, 8 ডিসেম্বর রাতে জামায়াতকে ২২টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেয় বিএনপি। এদিন রাতে দলটির নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল হালিমের কাছে চিঠি তুলে দেওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় উত্তেজনা। গত ২৭ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতের প্রদত্ত তালিকা থেকে বাছাই ও আলোচনাসাপেক্ষে ২৫ জন প্রার্থীকে ধানের শীষের মনোনয়নের চিঠি দেন। ওই ২৫টি আসনের মধ্যে রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩), ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী (সিলেট-৫), হাবিবুর রহমান (সিলেট-৬) বাদ দিয়ে শনিবার চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয় বিএনপি। এ বিষয়টি সহজে মানতে চাইছে না জামায়াত।
এ প্রসঙ্গে দলটির নায়েবে আমির অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা ২২টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি পেয়েছি। শুরুতে ২৫টি আসনে দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনটি কমে গেছে। কিন্তু আমরা মনে করছি, ওই তিনটি আসনও আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং ২৫টি আসনের একটিও যদি কম হয় আমরা নির্বাচনে যাবো না। আসন নিয়ে নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ছলচাতুরি আমাদের পছন্দ না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দলের চেয়ারম্যান চাইছেন ওই তিনটি আসনে ছাড় না দিতে। ইতোমধ্যে ৮ ডিসেম্বর সিলেট-৫ আসনে ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, যাকে ইতোমধ্যে ধানের শীষে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তিনি আগেও নির্বাচিত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে এই আসন আমরা ছাড় দিতে চাই না।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের একজন সদস্যের বরাত দিয়ে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, জামায়াতকে ২২টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলেও তারা ৩টি আসনসহ ২৫টি আসনে নিজেদের প্রার্থিতা চান। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারে জামায়াত। শুধু তাই না জামায়াতকে অন্তত ৪টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রার্থিতা করতে দিতে হবে।