Saturday, July 6, 2019

‘জাতীয় মুক্তি মঞ্চে’ জামায়াতের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিব্রত অলি!

নিউজ ডেস্ক: জামায়াতসহ ২০ দলীয় জোটের অন্যান্য শরিকদের নিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ গঠন করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
কিন্তু দেশের নতুন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম ‘জাতীয় মুক্তি মঞ্চ’- এর সভার আহ্বান করলেও সেখানে জামায়াতের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সোমবার (১ জুলাই) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদ এর নেতৃত্বাধীন নতুন এই জোটের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
জানা গেছে, নতুন এই জোটে জামায়াত যুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন খোদ জাতীয় মুক্তি মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক অলি আহমদ। তিনি বলেছেন, জাতীয় মুক্তি মঞ্চে যুক্ত হতে আমরা সবাইকে আহ্বান করেছি। জামায়াত আসবে কিনা তা আমি বলতে পারছি না। হঠাৎ তাদের মধ্যে বড় ধরণের পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। যা আমার কাছে সুবিধাজনক মনে হচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, জামায়াত সভায় যোগ দিলেও মুক্তি মঞ্চে থাকবে কিনা তা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করছে না। যদিও নতুন জোট গঠনের আগে তাদের নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছিলো আমার। এখন তা ধোঁয়াশায় পড়ে আছে। জামায়াতের এমন রহস্যময় আচরণে আমি নতুন জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে পড়েছি।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুন ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দেন ২০ দলের অন্যতম নেতা অলি আহমদ। এ জোটে জামায়াতকে ভিড়াতে কর্নেল অলি জামায়াতকে ‘দেশপ্রেমী দল’ বলেও আখ্যায়িত করেন। যদিও সেদিনের সংবাদ সম্মেলনের মঞ্চে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিতি থাকার কথা থাকলেও তা হয়নি। জামায়াতের কোনো নেতাই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সূত্র বলছে, ধোঁয়াশার সূত্রপাত সেখান থেকেই।
একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন এই রাজনৈতিক ফ্রন্টে যুক্ত হওয়া-না হওয়ার বিষয়টি জামায়াত কৌশলগত কারণে খোলাসা করছে না। জামায়াত নেতারা হয়তো অলির কৌশল বোঝার চেষ্টা করছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জামায়াতের এই সংশয়ে কিছুটা বিব্রত অবস্থায় পড়েছেন অলি। ফলে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জামায়াতকে সঙ্গে নেয়ার অভিপ্রায় ব্যর্থ হতে চলেছে। কেননা, এ জোটে জামায়াতকেই প্রধান চালিকা শক্তি ভাবা হচ্ছিলো।

Tuesday, July 2, 2019

পুলিশ হলেন দুই এতিম মেয়ে

পুলিশের কনস্টেবল পদে মেহেরপুরে নয় জন পুরুষ ও ৯ জন নারীর চূড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন এতিম মেয়ে রয়েছেন।

তারা হলেন- মেহেরপুর সদর উপজেলার গভিপুর গ্রামের মৃত বাহার আলীর মেয়ে লতা খাতুন ও মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের নূরনবী শেখের মেয়ে প্রিয়া খাতুন।
পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের জন্য ১০৩ টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হয়। কোনো প্রকার ঘুষ বাণিজ্য ছাড়া মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিলেন মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান। এতে উদ্বুদ্ধ হয়েই দুই এতিম মেয়ে গত ২৪ জুন মেহেরপুর পুলিশ লাইনে বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেয়। গত কয়েকদিনে বিভন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি নিশ্চিত হয়।মেহেরপুর পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঘুষ ছাড়া চাকরি হয় কিনা তা আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর যা চাওয়া আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি। এখন থেকে টাকা ছাড়াও যোগ্য ও মেধাবিরা পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিতে আসবে।

রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত

বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এতে এএসপি শাহজাহানসহ চার পুলিশ আহত হয়েছেন। এ সময় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার ভোরে জেলার পুরাকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মো. আবুবক্কর সিদ্দিকের ছেলে।
নয়ন বন্ড নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার এসপি মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে স্ত্রী মিন্নিকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন রিফাত শরীফ। কলেজের মূল ফটক পার হওয়ার পর নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে দুই যুবক রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কোপাতে থাকে।  এ সময় স্ত্রী মিন্নি স্বামীকে বাঁচাতে একাই তাদের সঙ্গে লড়াই করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেন। তার অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে নেয়া হয়। সেখানে রিফাত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ ঘটনার পর রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড, দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজী ও তৃতীয় আসামি রিশান ফরাজী পলাতক ছিল।  মামলায় এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তিনজন রিমান্ডে রয়েছে।

৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করা হবে প্রতি বছরঃপররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার (২৭জুন) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত জব ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, "যুবসমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যেই নানা পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের যুবকদের দক্ষতা তৈরিতে গত পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে। এরমধ্যে আইসিটি প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা ও স্কুল-কলেজে উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশ-বিদেশে দেড় কোটি কর্মসংস্থান তৈরির চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে এখনো ৪০ শতাংশ বেকার, এ কারণে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সু সংবাদ হচ্ছে, আমরা ডেমোগ্রাফিক সময় পার করছি। আমরা যদি অদক্ষদের দক্ষতায় রূপান্তর করতে পারি, তবে তারাই আমাদের জন্য সম্পদ হয়ে দাঁড়াবে। সরকার আইসিটি খাতে প্রতি বছর দুই লাখ মানুষের অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। তাদের অনেকে দেশের বাইরেও ভালো চাকরির সুযোগ পাচ্ছে। অনেকে আবার নিজেরাই উদ্যোক্তা হয়ে অন্যদের চাকরির সুযোগ দিচ্ছে। উদ্যোক্তাদের সরকারিভাবে ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জব ফেয়ারে মোট ১০৩ টি কোম্পানি যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দিতে অংশগ্রহণ করছেন। এসব কোম্পানির পক্ষ থেকে চাকরি প্রত্যাশীদের সিভি নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কোনো কোনো কোম্পানি প্রাথমিকভাবে প্রার্থী যাচাই-বাছাই কাজও সম্পূর্ণ করছেন বলে জানা গেছে।

দক্ষ কর্মীর চাহিদা বেড়ে চলেছে দেশে : শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন,‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত করা হবে।’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই কথা বাস্তবায়নে কাজ করে চলছে সরকার। এবং এই উন্নয়নের ছোঁয়া পড়েছে আমাদের শিল্প-কারখানাতেও। দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিল্প ও কলকারখানা স্থাপিত হচ্ছে। তাই দক্ষ কর্মীর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদা পূরণে মিরসরাইয়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযোগী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৭জুন)  রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রে (বিটাক) বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষিত মেয়েদের মাঝে সনদ ও বিভিন্ন শিল্প কারখানায় চাকরির নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
বিটাকের মহাপরিচালক ড. মো: মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবুল মনসুর মো: ফয়েজ উল্লাহ, এটুআই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিটাক থেকে সম্প্রতি ২৭৮ জন মেয়ে বিভিন্ন ট্রেডে হাতে-কলমে ৩ মাসের কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে গতকালের অনুষ্ঠানে ১৯৬ জন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ট্রান্সকম গ্রুপপসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র গ্রহণ করেছেন। অন্য প্রশিক্ষণার্থীরা ব্যক্তিগত কারণে এখনই যোগদান না করে পরে করবেন বলে জানান আয়োজকেরা।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিটাক গ্রামগঞ্জ থেকে মেধা অনুসন্ধানের মাধ্যমে সৃজনশীল ও মেধাবী কর্মী শনাক্ত করে তাদের প্রশিক্ষিত করছে  এবং প্রশিক্ষণ শেষের দিনই বিভিন্ন শিল্পকারখানায় চাকরিতে যোগদান করার সুযোগ করে দিচ্ছে । শিল্পমন্ত্রী এ সময় নারী কর্মীরা যাতে সম্মানের সাথে কর্মস্থলে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়ে সচেতন ও তৎপর থাকার জন্য শিল্পকারখানার মালিক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

কারিগরি শিক্ষাবোর্ড পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানে সরকার

নিউজ ডেস্ক: চলতি জুন মাসের ২৫ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা-২০১৯। বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত এসএসসি, এইচএসসি, বিসিএস পরীক্ষার ন্যায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত রাখতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে বর্তমান সরকার। পরীক্ষায় যেকোনো অনিয়ম রোধে সরকারের নির্দেশ মোতাবেক সোচ্চার রয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরাও।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের ২০১৬ প্রবিধানভুক্ত ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ পর্ব নিয়মিত ও ৫ম পর্ব অকৃতকার্য বিষয় এবং ২০১০ প্রবিধানভুক্ত ৬ষ্ঠ, ৮ম পর্ব নিয়মিত/অনিয়মিত ও ৪র্থ, ৫ম, ৭ম পর্ব অকৃতকার্য বিষয়ের পরীক্ষা-২০১৯ এবং ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি শিক্ষাক্রমের ২০১৬ প্রবিধানভুক্ত ২য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ পর্ব সমাপনী এবং ৩য়, ৫ম পর্বের অকৃতকার্য বিষয়ের পরীক্ষা-২০১৯ এর পরীক্ষা ২৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে। যা শেষ হবে ২২ জুলাই।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডও সবদিক থেকে প্রস্তুত।
এ প্রসঙ্গে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এবারের পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁসের মতো কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিগত সময়ে দেশের সবগুলো বোর্ড পরীক্ষার মতো আমরাও একটি প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত পরীক্ষা উপহার দিতে প্রস্তুত। যেকোনো মূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পরিকল্পনায় আমরা সর্বতোভাবে সহযোগিতা করবো।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, বিগত বোর্ড পরীক্ষাগুলোর ন্যায় দেশের সব বোর্ড পরীক্ষাতে প্রশ্ন ফাঁসের মতো অপতৎপরতা রুখে দিতে বাহিনীর সদস্যরা সারা বছরই নিয়োজিত থাকবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষাতেও বাহিনীর নজরদারি চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এবারের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রচারণার সঙ্গে বিভিন্ন সময় তৎপর থাকা বেশ কিছু ব্যক্তি যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পেজ, গ্রুপে জড়িত, তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ইঙ্গিত কিংবা আভাস পেলেই তাৎক্ষণিক ভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

চট্টগ্রামে এবার যুবলীগ নেতাকে নির্যাতন করলো ছাত্রদল-শিবিরের সন্ত্রাসীরা!

নিউজ ডেস্ক : ভোটের রাজনীতিতে পরাজিত হয়ে এবার ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের উপর চড়াও হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা। রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামে এক যুবলীগ কর্মীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে চলে গেলো ছাত্রদল ও শিবিরের কর্মীরা। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় অত্র এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৩০ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের আকবর শাহ থানার অধীন বিশ্ব কলোনি এন ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রদল-শিবিরের নির্মম নির্যাতনে সে চিত্র ধরা পড়েছে ঘটনাস্থলের পাশের দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায়।
বিস্তারিত তথ্যে জানা গেছে, মারধরের শিকার যুবকের নাম মো. মহসিন (২৬)। তিনি বিশ্ব কলোনি এম ব্লকের বাসিন্দা ও উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার মোর্শেদ কচির অনুসারী।
এই বিষয়ে ঘটনার সাক্ষী নুরুল আলম নামে এক চা দোকানদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মহসিনকে টার্গেট করে রেখেছিল স্থানীয় ছাত্রদল ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা। আসলে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করার লক্ষ্যেই আজকে যুবলীগ নেতার মহসিনকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে ১০-১২ জনের এই সন্ত্রাসী দল। তাদের কারণে অত্র এলাকায় সাধারণ মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে নুরুল আরো বলেন, রাজনীতিতে পরাজিত হয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দিতে না পারলে পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যেতে পারে।
জানা গেছে, মারধরের শিকার মহসিন বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে আটক করেছে।